Abhishek Banerjee House Clash: কলকাতায় অভিষেকের বাড়ির সামনে গভীর রাতে সংঘর্ষ, আটক একাধিক
কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়ির সামনে গভীর রাতে সংঘর্ষের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শনিবার, ৭ নভেম্বর ভোররাতে প্রায় ২টো থেকে সাড়ে ৩টের মধ্যে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে বলে সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে জানানো হয়েছে।
কী ঘটেছিল কালীঘাটে?
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর বাড়ির সামনে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন। সেই সময় সেখানে অন্য একটি দলের সমর্থকদের সঙ্গে বচসা শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে সংঘর্ষের রূপ নেয়।
ঘটনায় ইট-পাটকেল ছোড়া এবং মারধরের অভিযোগ উঠেছে। তবে সংঘর্ষের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছিল, তা নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্য আলাদা।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিযোগ করেন, বিজেপি কর্মীরা তাঁর বাড়িতে হামলা চালিয়েছে। তাঁর দাবি, এর আগে দু'দিন ধরে তাঁর বাড়ি ও অফিসের আশপাশে নজরদারি চালানো হয়েছিল।
তিনি আরও দাবি করেন, ঘটনায় তাঁর দলের কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের আঘাত গুরুতর বলেও তিনি জানান। পাশাপাশি পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তৃণমূল সাংসদ।
BJP-র বক্তব্য কী?
অভিষেকের অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল নেতার বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন। বিজেপি সমর্থকদের দাবি, তাঁরা কালীঘাটে প্রতিমা কেনার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন এবং তাঁদের সঙ্গে প্রথমে বচসা হয়।
অর্থাৎ, সংঘর্ষের কারণ ও দায় কার—তা নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্য সম্পূর্ণ আলাদা।
পুলিশের পদক্ষেপ
পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
তবে পুলিশ এখনও সংঘর্ষে জড়িত ব্যক্তিদের রাজনৈতিক পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি। ঘটনার তদন্ত চলছে।
রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে এই সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হামলার দায় বা ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো ঠিক হবে না।
গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রতিবেদনে দুই পক্ষের বক্তব্য অভিযোগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ ও দায় নির্ধারণ করবে পুলিশের তদন্ত।
