WhatsApp Channel Follow Now
Telegram Channel Follow Now
YouTube Subscribe


আজ থেকে শুরু তৃতীয় দফার লকডাউন, ছাড় বহু ক্ষেত্রে



আজ থেকে শুরু তৃতীয় দফার লকডাউন, ছাড় বহু ক্ষেত্রে




 করোনা মহামারি রুখতে এর আগে গত ২৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট দু'দফায় লকডাউনের সাক্ষী থেকেছে দেশবাসী। লক্ষ্য একটাই, সংক্রমণের শৃঙ্খল ভেঙে ফেলা। সোমবার, ৪ মে থেকে দেশজুড়ে তৃতীয় দফার লকডাউন শুরু হল। আপাতত আগামী ২ সপ্তাহ অর্থাৎ ১৭ মে পর্যন্ত লকডাউন চলবে বলে কেন্দ্রের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে।




নয়া আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়লেও আগের দু'দফার তুলনায় এই ১৪ দিনের লকডাউনে বেশ কিছু ছাড়ের কথা আগেই ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ফলে বলা যেতে পারে, আগের মতো আর অতটা কড়াকড়ি থাকবে না তৃতীয় দফার লকডাউনে। তবে দেশজুড়ে বেশ কিছু বিধিনিষেধ আগের মতোই বহাল থাকছে। তা মেনে না চললে শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে।




রেড, অরেঞ্জ এবং গ্রিন জোন নির্বিশেষে দেশজুড়ে আগামী ১৭ মে পর্যন্ত বিমান পরিবহন, ট্রেন ও মেট্রো চলাচল, ব্যক্তিগত আন্তঃরাজ্য চলাচল, সমস্ত ধর্মীয়, সামাজিক ও রাজনৈতিক জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বন্ধ থাকবে স্কুল, কলেজ, প্রশিক্ষণ, কোচিং সেন্টার, শপিং মল, রেস্তরাঁ, সিনেমা হল, জিম। এ ছাড়া প্রকাশ্যে মদ্যপান, পান, গুটকা ও তামাকজাত পণ্য সেবন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। সেইসঙ্গে সন্ধ্যা ৭টা থেকে পরের দিন সকাল ৭টা পর্যন্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সাধারণ মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রিত করা হয়েছে।




প্রতিটি জোনে ৬৫ বছরের বেশি বয়স্ক ব্যক্তি, অন্য রোগে আক্রান্ত, প্রেগন্যান্ট মহিলা এবং ১০ বছরের কম বয়সীদের ঘরে থাকতে বলা হয়েছে।




ঝুঁকি থাকায় রেড জোনের ক্ষেত্রে জনগণের গতিবিধি আগের মতোই কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত করা হয়েছে। চিকিৎসা, জরুরি পণ্য় ও পরিষেবা ছাড়া রেড জোনে প্রবেশ ও সেখান থেকে বাইরে বের হওয়া যাবে না। এই সমস্ত স্থানে আগের মতোই নিষিদ্ধ থাকবে সাইকেল রিকশা, অটো রিকশা, ট্য়াক্সি, বাস, সেলুন ইত্যাদি।




তবে এদিন থেকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে গ্রামাঞ্চলে রেড জোনে অধিকাংশ শিল্প ও নির্মাণকাজ শুরু করা যাবে। শপিং মল ছাড়া সমস্ত দোকান খুলে রাখা যাবে। খোলা যাবে ওষুধের দোকান। আর শহরাঞ্চলে রেড জোনের মধ্যে হলেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে বেশ কিছু বাণিজ্যিক ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান খোলা যাবে। এর মধ্য়ে SEZ, শিল্পতালুক, কলসেন্টার, পাট প্যাকেজিং, ওষুধ তৈরির কারখানা।




অরেঞ্জ জোনে নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে অনুমতি নিয়ে আন্তঃজেলা ব্যক্তি ও পরিবহনের যাতায়াতের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। পেইড ট্যাক্সি ও অ্যাপ ক্যাব চলতে পারে। তবে সেখানে চালক ছাড়া মত্র ১ জন যাত্রী থাকবেন। আর চালক ও ২ জন যাত্রী নিয়ে ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ছাড় দেওয়া হয়েছে মোটরসাইকেল চলাচলে।




এ দিকে, গ্রিন জোনে প্রায় সমস্ত কাজকর্মের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে বাস চালানো যাবে। ছোট দোকানপাট খোলা যাবে। তবে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্য বিধি বজায় রেখেই সমস্ত কাজ করতে হবে।





এখন বাংলা - Ekhon Bengla | খবরে থাকুন সবসময়


Source : BanglaSonbad


নবীনতর পূর্বতন
WhatsApp Channel Follow Now
Telegram Channel Follow Now
YouTube Subscribe